ভগবানের লীলা:- বীরেন্দ্রনাথ কিস্কু

মহান এই ধরণী বিশাল এক যে লীলা ক্ষেত্র
নিত্য নতুন কতই না লীলা ঘটছে দিবারাত্র ।
ঘটছে কত অজানা সব, কৌতূহলে ভরা,
খবরের কাগজ দেখে সবার কতই ত্বরা।
কেউ বলছে, এইসব আমার চোখে দেখা
বিজ্ঞানের কাছে নেইকো জবাব,নেই কোন ব্যাখ্যা।
ধর্মের মোহতে অন্ধ যারা,
চিল চিৎকার করে বলেন তারা
এই সবই তো হলো আসল ভগবানের লীলা।
ভগবানের নামে করেন যারা মিথ্যাচার
তাদের জীবনে শুধুই যে অনাচার।
পথে ঘাটে, পাহাড়ে, জলে, জঙ্গলে
কতই না নাম জানা আছে ভগবান,
তাদের সেবায় নিয়োজিত আছে কত প্রাণ।
ধর্মান্ধতার সুযোগ নিয়ে
অসাধুরা আজ সেজেছে ভগবান,
তাদের নিয়ে মূর্খরা করে জয়গান।
গায়ে গেরুয়া বসন, মাথায় ঝুটি
গলায় রুদ্রাক্ষের মালা
কপালে চন্দনের ই ফোঁটা,
এমনি করেই থাকেন বসে, অন্দরমহলে।
সাথে থাকেন কত সখী
ভগবানকে করতে সুখী।
শিষ্যরা সব থাকেন ব্যস্ত গুরুদেবের চরণ পদতলে।
দানের টাকায় গড়ে উঠছে কত
গগন চুম্বী সব ইমারত,
সেখানে ভক্তগণ এর আনাগোনা
লেগেই থাকে দিন হোক বা রাত।
কত কত আছে ধর্ম গুরু
নাম গুলোও সব আজগুবি,
কেউ বা চুমা বাবা কেউ বা……….বাবা।
তাদের খারাপ কাজেও সকলেই করে বাহবা।
কত কত আছে শিষ্য
টাকার হিসেব করতেই সদা থাকেন ব্যস্ত।
ধর্ম গুরুরা সকলেই একটাই করেন দাবী,
তাদের সংস্পর্শে বা দৃষ্টি দিয়ে
সমস্ত রোগ হবে যে নীরোগ,
দান করলে মোটা টাকা গুরুর কাছে
সব পাপ হয়ে যাবে ধুয়ে নিঃশেষ।
এসেছে আজ সেই দিন
ধর্ম গুরুদের প্রমাণ দেওয়ার সুযোগ
বিজ্ঞানের ও প্রমাণ নেওয়ার পালা,
‘ করোনা ‘ ভাইরাসের ভয়ে ভীত
ভগবান রাও আজ বলেন কেন পালা …..পালা??
মানুষের মনের ভগবানরা সব
আজকে কেন নিশ্চুপ সব!!
কোথায় গেল সেই আত্মিক কথা,
আমিই ভগবানের শেষ কথা????

-রিমিল