বীরহড় কন্যাদের গান ও অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম এর কথা

লিখেছেন ডঃ জলধর কর্মকার

আমাদের ভারতবর্ষে যে 75 টি আদিম জনজাতির মানুষজন আছেন তাদের মধ্যে তিনটি আছেন আমাদের পশ্চিমবাংলায় তারা হলেন বিরহড়, লোধা শবর এবং জলপাইগুড়ির টোটো। পুরুলিয়া জেলার আদিমতম জনজাতিরা অবলুপ্তপ্রায়। পুরুলিয়া জেলায় এদের সংখ্যা…।





এদের অবস্থান এখন অযোধ্যার পাদদেশে এবং বলরামপুর এবং এবং ঝালদা এক নম্বর ব্লকে এরা সম্পূর্ণরূপে অরণ্যচারী যাযাবর জাতি এদের মধ্যে একমাত্র জীবন জীবিকা ছিল বনের কেন্দ, পিয়াল ইত্যাদি ফলমূল, কন্দ জোগাড় করে খাওয়া, নদীর মাছ ধরা, লতা থেকে দড়ি তৈরি করা এবং পশু শিকার করা ছিল এদের জীবন জীবিকা। চাষবাস এরা একেবারেই জানতো না বল লেই চলে, এখন যদিও কিছু কিছু চাষবাস করছে।





ইদানিং এদের মধ্যে লেখাপড়ার একটা চল দেখা যাচ্ছে এবং প্রথম বীরকন্যা জানকী শিকারি যিনি এই বছর ধস্কা পন্ডিত রঘুনাথ মুরমু আবাসিক বিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করলেন এবং মাধ্যমিক পাস করলেন জবা শিকারি। এছাড়া এই বিরহড় সন্তানদের মধ্যে কাঞ্চন শিকারি ও সিতারাম শিকারি কয়েকবছর আগে তারা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন শুশুনিয়া একলব্য মডেল হাইস্কুল থেকে এবং আরো কয়েকজন পড়াশোনা করছেন। এই সমস্ত এই সমস্ত বিরহড়রা অবলুপ্তপ্রায় জাতি এবং এদের ভাষা-সংস্কৃতি অতিদ্রুত সাঁওতালি বা মুন্ডারি দের গর্ভে বিলীন হতে চলেছে। এই বিরহড়রা আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী জাতি তাদেরকে বাঁচিয়ে রাখাটা আমাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।





বিরহড় কন্যারা যে গানটি গেয়েছেন সেটি হল, আলে দলে বিরহড়………