HOME







মতামত

Difference between tribals religion and Santals religion

SẠRI DHOROM AND SARṆA DHOROM ARE TWO DIFFERENT RELIGIONS, THEY ARE NOT THE SAME. DIFFERENCE BETWEEN SẠRI DHOROM AND SARṆA DHOROM: 1. The Religious Belief System and Practices of the Austroasiatic Adivasi Peoples like the Santals, Mahalis, Birhoṛs etc. is collectively called as Sạri Dhorom. The Religious Belief System and Practices of the Dravidian Adivasi

জীবনের সংজ্ঞা

ক্লাস থ্রিতে পড়া একটি শিশুকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয়! জীবন মানে কি ? সে বলবে জল, কারণ সে মাষ্টার মশাইদের মুখে শুনেছে জলের অপর নাম হল “জীবন”। ঠিক একই প্রশ্ন যদি ক্লাস ফাইভে পড়া কোন ছাত্রছাত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হয়! জীবন মানে কি ? সে হা করে তাকিয়ে থাকবে! ভাববে এটা আবার কেমন প্রশ্ন ? ঠিক

মহিষাসুর কোনও অশুভ শক্তির প্রতীক নন, তিনি শহিদ বীর যোদ্ধা – অভিমন্যু মাহাতো

মহিষাসুর কোনও অশুভ শক্তির প্রতীক নন। তিনি শহিদ। আর্য সভ্যতার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে গিয়ে ‘খুন’ হন হুদুড় দুর্গা নামে অনার্য বীর। প্রাচীন কালে এই জনপদের নাম ছিল “বোঙ্গাদিশম” এবং যার মহান সম্রাট ছিলেন এই বোঙ্গাসুর বা মহিষাসুর। হুদুড় (বজ্রের ধ্বনিকে হুদুড় বলা হয়) বা বজ্রের মত ছিল তাঁর প্রভাব ও প্রতাপ। তাই তাঁর আর

Loading…

Something went wrong. Please refresh the page and/or try again.

BENGALI ESSAY বাংলা প্রবন্ধ

  • REV. P. O. BODDING সাহেব, সাঁওতাল ও সাঁওতালী
    পুরো নাম paul olaf Bodding.(পৌল অলাফ বোডিং ) । যাকে সংক্ষিপ্তভাবে P.O. Bodding নামে ডাকা হয়। তবে সান্তাল আদিবাসীরা তাকে পিয়ো বোডিং ( pieạ boḍiń) নামে ডাকে। P.O. Bodding সাহেবের সময়কালে সান্তাল আদিবাসীরা আজকের মতো ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলনা। তাই ইউরোপিয়ান ভাষাগুলির শব্দকে নিজেদের মতো করেই ( santalized) উচ্চারণ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতো। যারফলে P.O. Bodding
  • চিপকো আন্দোলন: গাছকে জড়িয়ে পরিবেশ বাঁচানোর এক লড়াই
    চিপকো আন্দোলন: গাছকে জড়িয়ে পরিবেশ বাঁচানোর এক লড়াই বাংলা সিনেমায় দেখা যায় ভিলেন মারতে আসলে নায়িকা নায়ককে বাঁচানোর জন্য জড়িয়ে ধরে রাখছে। শিরোনামে উল্লেখিত আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য অনেকটাই যেন সেরকম; গাছ কাটা বন্ধের জন্য গাছকে জড়িয়ে ধরে আন্দোলনে নেমেছিলেন ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের গ্রামবাসী। বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে আন্দোলন এখন গোটা পৃথিবী জুড়েই হচ্ছে। তবে এর যাত্রা শুরু
  • বিশ্ব আদিবাসী দিবস : এক প্রহসন মাত্র
    – এম. নেপোলিয়ন টুডু আদিবাসীদের অস্তিত্ব রক্ষা ও অধিকার অর্জনের লক্ষ্যে ,  রাষ্ট্রসংঘ 9 আগস্ট কে বিশ্ব আদিবাসী দিবস হিসাবে ঘোষণা করেছিল। মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ সর্বোপরি আদিবাসীদের সার্বিক উন্নয়ন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আদিবাসী দিবস পালনের এত বছর পরেও আদিবাসীরা যে তিমিরে ছিল তারা আছে সেই তিমিরেই। আদিবাসীদের উপর শোষণ,বঞ্চনা লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে।
  • বীরহড় কন্যাদের গান ও অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম এর কথা
    লিখেছেন ডঃ জলধর কর্মকার আমাদের ভারতবর্ষে যে 75 টি আদিম জনজাতির মানুষজন আছেন তাদের মধ্যে তিনটি আছেন আমাদের পশ্চিমবাংলায় তারা হলেন বিরহড়, লোধা শবর এবং জলপাইগুড়ির টোটো। পুরুলিয়া জেলার আদিমতম জনজাতিরা অবলুপ্তপ্রায়। পুরুলিয়া জেলায় এদের সংখ্যা…। এদের অবস্থান এখন অযোধ্যার পাদদেশে এবং বলরামপুর এবং এবং ঝালদা এক নম্বর ব্লকে এরা সম্পূর্ণরূপে অরণ্যচারী যাযাবর জাতি এদের
  • বিশ্ব আদিবাসী দিবস ও বর্তমান আদিবাসী সমাজ
    আজ ৯ই আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবস। বিশ্বের আদিবাসী জনগণের অধিকার সংরক্ষণ এবং সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর ৯ই আগস্ট বিশ্ব আদিবাসীদের আন্তর্জাতিক দিবস পালন করা হয়। এই ইভেন্টটি পরিবেশ সংরক্ষণের মতো বিশ্বের সমস্যাগুলি উন্নত করতে আদিবাসীদের কৃতিত্ব ও অবদানকে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৯৪ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন কর্তৃক এটি প্রথম উচ্চারিত হয়েছিল। সারা বিশ্বের আদিবাসীরা
  • শতবর্ষের দোরগোড়ায় “অলচিকি” লিপি
    কলমে:- রিমিল “অকারণে বৃথাই কেন করো বারণ, সময় চলে আপন খেয়ালে, সময়ের সাথে অগ্রগতি মোদের চলনে।” দেখতে দেখতে আমরা আজ 95 বৎসরে পা রাখলাম আর পাঁচ বছর পরে পূর্ণ হবে শতবর্ষের। আমরা সেই মহান ঐতিহাসিক বর্ষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছি। আর পাঁচ বছর পরেই আসবে সেই মহান বর্ষ অর্থাৎ 2025 সালে পূরণ হবে সাঁওতালি ভাষার জন্য

DONATE US

CREATE YOUR OWN WEBSITE






BENGALI POEM বাংলা কবিতা

  • কবিতা: সবুজ দ্বীপ
    সবুজ দ্বীপ কবি লক্ষণ কিস্কু যাবে ভাই মোদের কেচন্দা, সবুজ দ্বীপরাইডি গাঁয়ের কোলে কাঁসাই নদীর ঢিপ।পশ্চিম হতে পূবে রমণীর মতো চলে তটিনী বারি ভেজা তনু, যেন কাঁখে কলস খানি। সবুজে সবুজ ঘেরা, ছল ছল জল মাঝে তারা ময়ূরপঙ্খীর কাজল কালো নয়ন যেন পটল চেরা। লতায় পাতায় তরু ছায়ায় মিতালি বন বায় চরণ তলে দুর্বা দলে
  • গগনচুম্বী শহর
    গগনচুম্বী শহর-লক্ষণ কিস্কু আমরা দেখেছি গগনচুম্বী অট্টালিকানতুন শহর– ঝাঁ চক্‌ চক্‌ রাস্তা গাড়ী ঢাকা।দেখেছি, আমেরিকার ট্রেড-সেন্টার কিংবা দুবাইভিলামালয়েশিয়া, সাংহাই কিংবা সিঙ্গাপুর পদ্ম’কলাসাজানো শহর, সাজানো বাগান বাহারআকাশ ভরা মুক্তোঝরা ; শিউলি ঝুরঝুর। জাপান ভাবে– নতুন নতুন পরিকল্পনা বহরভূমিকম্পে কভূ ধ্বসিবেনা গগনচুম্বী শহর।লিপ্ট ছাড়া বাড়ি ঘরে আসা যাওয়াকর্ণ গোচরে প্রবেশিবে মধুর গান গাওয়া,উঁচু ইমারতে ছুটবে গাড়ী, দুয়ারে
  • কবি লক্ষণ কিস্কুর একজোড়া কবিতা
    জীবন তরী – লক্ষণ কিস্কু কোন অজানা মাঝিভাঁসিয়ে দিলে তরীনতুন গাঙেসকাল কিংবা সাঁঝে। ভেঁসে ভেঁসে যায় তরীঅজানা পথেহিন্দোলিত হয়ে সারি সারিনীল আকাশে পেঁজা তুলোর মতোদিগন্ত থেকে দিগন্তে ভেঁসে চলে কত! দেখে যায় নয়ন মেলেরেখে যায় হৃদয়ের উজাড় করেতাকায় না তো আর —ফেলে আসা ঘাটেকত কী যে বেচাকেনাকরেছে জীবনের হাটে।দীপ খানি নিভীয়েনীলিন হয়ে যায় —ঐ পরপারেশান্তিগড়ে।।
  • সময় গেছে পেরিয়ে
    সময় গেছে পেরিয়ে—————বাপ্পাদিত্য বেসরা হেমন্তের শিশির ভেজা সূর্যের আলোয় বসে কিশোর-কিশোরীর আবেগ দেখছিলাম।সুন্দর সাজে খুশির বাতাসেদোলায়িত হতে হতে উড়ে চলেছিল কচি সবুজ মনকিচিরমিচির হাসির কোলাহলযুবতীদের অঙ্গ কারুকার্যফেলে আসা অতীতের কোন একভালোলাগার সুপ্ত স্নায়ুতে টোকা দিতে চাইছিল। পরবের আগমনী আনন্দরুজির কাছে অনুঘটক হয়েছিল কদিন,লক্ষ্য করেছি বেশ।সন্ধ্যার জোনাকি আলোর জ্যোতি দেখতেপাতলা চাদর গায়েবাইরের বেঞ্চিতে বসেছিলাম কিছুক্ষণ,আচ্ছা, সেই
  • জবাব চাই
    জবাব চাই – হেমাল হিঁসিদ হাঁসদা জবাব চাই,জবাব চাই, জবাব চাই-ই চাইজনগ্ণ চাইছে জবাব, জবাব চাই-ই চাই ;জনগনের রাজত্বে , জনরাজার বিচার ;বিচার চাই-ই চাই ।। এ বাংলা কাদের ? এই বাংলা কার ?হিন্দু-মুসলমান-শিখ-ইশাই-সান্তাড়ভাই-ভাই মিলেমিশে এক পরিবার ।। কত মেলা-কত পুজো-কত উৎসব,মাঠ ভরা ধান, গাছে-গাছে পাখিদের কলরব;পূব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিন শিশু করে রব।। ”যত মত তত পথ”
  • চাষীর হাসি!
    চাষীর হাসি! হেমাল হিসিদ হাঁসদা আসছে দিন,আসছে দিন,শুনেছি কালবুলেট ট্রেনে বেচবে চাষী, মাচা খেতের মাল।। কাস্তেটা তার পড়ে থাকবে, কুটি্রের কুলুঙ্গিতেহাল টানা গরু ,মোষ হাসবে মাঠে-ঘাটে।। আলু,বেগুন,পটল,মুলো তুলবে রোবটআলের উপর বসে,ধরবে চাষী রিমোট।। গাঁইতি,কোদাল,শাবল অকেজো হয়ে থাকবে পড়েফ্রিতেই জল পাবে গাছেরা,দেবে বিমান উড়ে উড়ে।। আহা!রে চাষী ভাই,আসছে দিন শুনেছি কালএও শুনছি! আর থাকবে না লঙ্কাতে

CREATE YOUR OWN WEBSITE

SEARCH ANYTHING







Subscribe to get access ᱯᱟᱲᱦᱟᱣ ᱞᱟᱹᱜᱤᱫᱛᱮ ᱠᱟᱹᱣᱰᱤ ᱮᱢᱚᱜᱢᱮ;

Read more of this content when you subscribe today.

SEARCH ANYTHING


International Day of the World’s Indigenous Peoples: Just a farce

– M. NEPOLIAN TUDU

In order to protect the existence and rights of indigenous peoples, the United Nations declared August 9 as International Day of the World’s Indigenous Peoples. The main goal was the overall development of the indigenous people, including education and health. But sadly, after so many years of celebrating Indigenous Day, the whales are still the same as they were. Exploitation and deprivation of tribals is rampant. Today, education, health and culture in the mother tongue of the indigenous people are in deep crisis. They are hundreds of miles away from their basic rights.

Indigenous decades have passed, according to the UN declaration. Indigenous language year has passed last year. But where are the rights of the indigenous people today? Where exactly do the languages ​​of the indigenous groups stand? If we do a little research, we will find that the language of the indigenous people and the rights of the indigenous people are in a deep crisis.

Lately, there is a lot of intoxication about Indigenous Day. Indigenous Day is also being celebrated officially in some places. But they are nothing more than showing people! The government has become a limitless field of its own propaganda. Arrangement of dance-song, sparkle of speech with a couple of receptions. Thus the question remains as to how the overall development of the tribals is possible.

Indigenous people have sent envoys on various issues at different times. But in fact that is the issue that is being completely ignored. For example, this year a Khariya tribal research student from Orissa was invited to speak on environmental protection. On the other hand, the right to forest is being completely cut off from the tribals in those areas. Arbitrary cutting of trees is going on. There is no form of administrative frown, no activity of the administration. What harm it can do to the environment or the plight of the indigenous people is beyond their control.

So in this Corona situation, when the world faces a terrible crisis; Then why such childish play with the tribals? Why not think of their basic ethnic philosophy? Why would their natural biological coexistence be destroyed? We face thousands of such questions.

If this thinking is really to sustain the existence and identity of the tribals, then why are they in this situation today? Why is there no financial announcement for the indigenous people from the United Nations? Why not see a splash of the program throughout the year? Will just celebrating one day solve all the problems of the tribals? Or is there some secret behind it?

Today is the time to think in this situation. It’s time to say something, it’s time to write with a pen in hand. Otherwise, even if Indigenous Day is observed year after year, no development will take place at all. Indigenous people will just dance and sing, their dance-songs will be performed in different places. But the profit will be nothing to them.

Therefore, in this context, it can be said that World Indigenous Day is nothing but a farce. This deception should be stopped immediately. Every head of state of every country in the world must remember one thing.

“Whoever you throw down will bind you to the bottom,
You left behind the one who pulled you back;
In the darkness of ignorance
Whoever hides behind;
There is a huge gap between your Mars drums
They should all be equal in humiliation “.






HELP US

ᱥᱟᱶᱦᱮᱫ ᱟᱨᱥᱟᱞ ᱜᱷᱟᱨᱚᱧᱡᱽ ᱩᱛᱱᱟᱹᱣ ᱞᱟᱹᱜᱤᱫ ᱜᱚᱲᱚ ᱥᱚᱯᱚᱦᱚᱫ ᱮᱢᱚᱜᱯᱮ;

Pages: 1 2 3 4