Category Archives: NEWS খবর

LATEST NEWS OF JHARKHAND, ODISHA, WEST BENGAL & ASSAM.

young woman reading notes in floral shop

Sendra is Not For Wild life Killing| Awarness prog| Ranibandh Block






SANTALI NEWS | ASSAM NEWS | CORONA PANDEMIC






Santali Khabar || Episode 149






SANTALI NEWS | SENDRA TRADITION | JHARKHAND LOCKDOWN | ECL | ICSE WBBSE EXAM






Spoken Santali course started at Dumka

On 3rd of Jan21,Spoken Santali course was started by Hul Baisi in collaboration with Santal Akedmy SKMU Dumka SP.Honourable VC Prof Dr Sona Jharia Minj joined the class along with family members and other non Santali speeking students.This course was formerly inaugurated on 22 dec20 on the occasion of SPFD

नई शिक्षा नीति को केन्द्रीय कैबिनेट की मंजूरी

माननीय मंत्री , शिक्षा विभाग , भारत सरकार
द्वारा प्रस्तावित नई शिक्षा नीति 2020को आज केन्द्रीय कैबिनेट ने अपनी स्वीकृति प्रदान कर दी । आज केन्द्रीय सरकार की कैबिनेट की स्वीकृति के बाद 36साल बाद देश में नई शिक्षा नीति लागू हो गई ।

कैबिनेट ने नई शिक्षा नीति (New Education Policy 2020) को हरी झंडी दे दी है. 34 साल बाद शिक्षा नीति में बदलाव किया गया है. नई शिक्षा नीति की उल्लेखनीय बातें सरल तरीके की इस प्रकार हैं:

—-5 Years Fundamental—

  1. Nursery @4 Years
  2. Jr KG @5 Years
  3. Sr KG @6 Years
  4. Std 1st @7 Years
  5. Std 2nd @8 Years

—- 3 Years Preparatory—

  1. Std 3rd @9 Years
  2. Std 4th @10 Years
  3. Std 5th @11 Years

—– 3 Years Middle—

  1. Std 6th @12 Years
    10.Std 7th @13 Years
    11.Std 8th @14 Years

—- 4 Years Secondary—
12.Std 9th @15 Years
13.Std SSC @16 Years
14.Std FYJC @17Years
15.STD SYJC @18 Years

खास बातें :

—- केवल 12वीं क्‍लास में होगा बोर्ड
—- MPhil होगा बंद, कॉलेज की डिग्री 4 साल की

—10वीं बोर्ड खत्‍म, MPhil भी होगा बंद,

—- अब 5वीं तक के छात्रों को मातृ भाषा, स्थानीय भाषा और राष्ट्र भाषा में ही पढ़ाया जाएगा. बाकी विषय चाहे वो अंग्रेजी ही क्यों न हो, एक सब्जेक्ट के तौर पर पढ़ाया जाएगा।

—- पहले 10वी बोर्ड की परीक्षा देना अनिवार्य होता था, जो अब नहीं होगा.

—- 9वींं से 12वींं क्लास तक सेमेस्टर में परीक्षा होगी. स्कूली शिक्षा को 5+3+3+4 फॉर्मूले के तहत पढ़ाया जाएगा।

—- वहीं कॉलेज की डिग्री 3 और 4 साल की होगी. यानि कि ग्रेजुएशन के पहले साल पर सर्टिफिकेट, दूसरे साल पर डिप्‍लोमा, तीसरे साल में डिग्री मिलेगी.।

—-3 साल की डिग्री उन छात्रों के लिए है जिन्हें हायर एजुकेशन नहीं लेना है. वहीं हायर एजुकेशन करने वाले छात्रों को 4 साल की डिग्री करनी होगी. 4 साल की डिग्री करने वाले स्‍टूडेंट्स एक साल में MA कर सकेंगे.

—- MA के छात्र अब सीधे PHD कर सकेंगे.

—- स्‍टूडेंट्स बीच में कर सकेंगे दूसरे कोर्स. हायर एजुकेशन में 2035 तक ग्रॉस एनरोलमेंट रेशियो 50 फीसदी हो जाएगा. वहीं नई शिक्षा नीति के तहत कोई छात्र एक कोर्स के बीच में अगर कोई दूसरा कोर्स करना चाहे तो पहले कोर्स से सीमित समय के लिए ब्रेक लेकर वो दूसरा कोर्स कर सकता है.

—- हायर एजुकेशन में भी कई सुधार किए गए हैं. सुधारों में ग्रेडेड अकेडमिक, ऐडमिनिस्ट्रेटिव और फाइनेंशियल ऑटोनॉमी आदि शामिल हैं. इसके अलावा क्षेत्रीय भाषाओं में ई-कोर्स शुरू किए जाएंगे. वर्चुअल लैब्स विकसित किए जाएंगे. एक नैशनल एजुकेशनल साइंटफिक फोरम (NETF) शुरू किया जाएगा. बता दें कि देश में 45 हजार कॉलेज हैं.

—- सरकारी, निजी, डीम्‍ड सभी संस्‍थानों के लिए होंगे समान नियम।

माननीय शिक्षा मंत्री, भारत सरकार

Girish Chandra Murmu, Has been elected as external auditor of the Inter parliamentary Union (IPU), Geneva

Comptroller and Auditor General of India Girish Chandra Murmu, Has been elected as external auditor of the Inter parliamentary Union (IPU), Geneva for a three-year term.

Murmu the 14th CAG, will assume the charge from Supreme Audit Institution of Switzerland. The Election took place at the virtual meeting of 284th session of the IPU which is a 179 country parliamentarians body, also having 13 associate members. The IPU has permanent observer status at the United Nations general assembly. The result of the Election has been conveyed by Martin chungong, Secretary-General of the IPU.

Murmu while accepting the appointment as external auditor of IPU, has expressed his thanks to the executive committee and wished for a strong partnership in fulfilling the strategic objectives of the IPU.

The CAG of India has been the external auditor of various International organisations.

He has earlier also been on the United Nations Board of Auditors from 1993 to 1999 and 2014 to 2020. Presently he is the external auditor of the World Health Organisation, Geneva and Food and Agriculture Organisation, Rome. In the recent past he has been the External Auditor of world food programme, World Intellectual Property organisation, International atomic energy agency, United Nations World Tourism Organisation, International organisation for migration, international Maritime organisation For Prohibition of Chemical Weapons.

SARNA DHOROM CODE

आदिवासी सेंगेल अभियान, केंद्रीय सरना समिति रांची, और अखिल भारतीय आदिवासी विकास परिषद, रांची ने 15 नवंबर 2020 से एक सप्ताह के लिए झारखंड बंगाल बिहार उड़ीसा आसाम में कम से कम 50 सरना धर्म सगाड़ (रथ) चलाने का फैसला लिया है। ताकि सरना धर्म कोड के लिए व्यापक जन जागरण हो जाए|

জীবন যুদ্ধে বিজয়ী সাঁওতাল মেয়ে পিরিনা মুর্মু

বাংলাদেশের যেসব জেলায় আদিবাসী জনগণের বসবাস বেশি এমনি একটি উত্তরের আদিবাসী অধ্যুষিত জেলা হলো দিনাজপুর। দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলাধীন ছোট একটি আদিবাসী গ্রাম ডারকামারীতে দারিদ্র সীমার মধ্যে বসবাস করত রাবণ মুর্মু ও লুগিনা সরেন। এই দম্পতির ঘরে দুই সন্তানের পরে ২০/০৩/১৯৯৬ ইং তারিখে তৃতীয় সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করে পিরিনা মুর্মু। এরপর আরও দুইটি সন্তান পরপর জন্ম নেয় রাবণ-লুগিনার ঘরে। অভাব অনটন যাদের নিত্যদিনের সঙ্গী তাই কখনও অর্ধাহারে আবার কখনও অনাহারে দিনতিপাত করিতে থাকে পিরিনা মুর্মু।

পিরিনা লেখাপড়া শুরু করে ব্র্যাক স্কুলে একই সাথে খালিপপুর মিশন স্কুলে ভর্তি হয় যাতে করে দুপুরে খাবার খেতে পারে। প্রথম শ্রেনী থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত লেখাপড়া করার জন্য বাড়িতে কোন বিদ্যুৎ ছিল না এবং কেরোসিন তেল কেনারও পয়সা ছিলনা তাদের। তাই বেশিরভাগ সময় দিনের আলোয় পড়াশোনা করতে হতো এবং মাঝে মাঝে কুপির আলোতে পড়াশোনা চালিয়ে যেত।

পিরিনার ১০ বছর বয়সে তার বাবা মারা গেলে সংসারে আরও অভাব অনটন দেখা দেয়। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মত অবস্থা এ জন্য সে মাঝে মাঝে পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সাথে আবাদি জমিতে কাজ করতে যেত, সেই সাথে কাজের জন্য পিরিনার এক ভাই এক বোন ৫ম শ্রেনীতে পড়ার সময় ঝড়ে পরে। কিন্তু পিরিনার লেখাপড়ার প্রতি প্রবল আগ্রহ থাকায় কোন ভাবেই যেন তাকে লেখাপড়া থেকে তাকে আলাদা করতে পারেনি।

এরই ধারাবাহিকতায় সে ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সাফল্যের সাথে জিপিএ ৩.৮৫ পেয়ে কৃতকার্য হয়। এমন সময় বে-সরকারী সংস্থা আরডিআরএস বাংলাদেশ প্রকল্পের সংলাপ কেন্দ্র চালু হলে উক্ত সংলাপ কেন্দ্রে পিরিনা মুর্মু কিশোরী হিসেবে ভর্তি হয়। এই প্রকল্পে কিশোরীদের জীবনের স্বপ্ন প্রতিষ্ঠিত এবং তাদেরকে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ায় উদ্বুদ্ধ করত। এতে কাজ করে যেতে পিরিনা মুর্মু তার একটি বড় স্বপ্নের কথা বলে যে সে অনেক বড় পুলিশ অফিসার হবে। এভাবেই চলতে থাকে পিরিনার জীবন।

এরই এক পর্যায়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে কিছু সংখ্যক নারী-পুরুষ নিয়োগ করা হবে এমন সংবাদ পেলে তার স্বপ্ন তাকে আরও তাড়িত করতে লাগে। বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক পুলিশ লাইনে শারিরীক, লিখিত, মেডিকেল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সফলতার সাথে কৃতকার্য হয়ে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হয়। সাফল্যের সহিত ট্রেনিং শেষে সে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে যোগদান করে। নবাবগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার রেবেকা সুলতানা জানান- পিরিনাকে গত ৯ডিসেম্বর পিরিনাকে আর্ন্তজাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদ্যাপনে “জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ” এর আওতায় শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্যে অর্জনকারী নারী হিসেবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা গ্রহণ করেন তার মা লুগিনা সরেন।

ঝাড়খণ্ডে মাটির বাড়ির দেওয়ালে ব্ল্যাকবোর্ড বানিয়ে শুরু হলো নতুন শিক্ষা পদ্ধতি

এই কভিড ১৯ এর মহামারী পরিস্থিতিতে বিশ্বের প্রায় সকল দেশের সভ্যতার চাকা ধীরগতিতে ঘূর্ণায়মান। কেউ জানেনা আর কতদিন থাকবে এই করোনা ভাইরাস।

এর কারণে প্রত্যেক দেশের বাণিজ্যিক ব্যবস্থা শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় স্তব্ধ। একমাত্র স্বাস্থ্য চিকিৎসা ব্যবস্থাই দেশের মানুষের সেবা করে যাচ্ছে দিনরাত। গত মার্চ মাস থেকে এখন সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত প্রত্যেক স্কুল কলেজের ক্লাস ঘরে তালা ঝুলিয়ে হয়তো মরচে পড়ছে করোনা সংক্রমনের ভয়ে বিদ্যালয় না খোলার জন্য। যেসব এলাকার অর্থনৈতিক অবস্থা অনুন্নত সেইসব এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাসের কথা চিন্তা ভাবনা করা হয়নি।

তাই এবার গরিব ছেলে মেয়েদের পড়াশোনায় যাতে অবনতি না হয় তার জন্য অভিনব পদ্ধতি অবলম্বন করতে বাধ্য হল ঝাড়খন্ড রাজ্যের দুমকা জেলার জার্মুন্ডি ব্লকের অন্তর্গত দুমার্থার গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ। এই গ্রামের মাটির বাড়ির দেওয়ালে সামাজিক দূরত্বের হিসেবে ব্ল্যাকবোর্ড বানিয়ে এবং মাইক বক্স এর মাধ্যমে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করাচ্ছেন সাথে এই কাজে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছেন ওই ছেলে মেয়েদের অভিভাবকগণ।

Walls of houses turn into blackboard in Dumarthar, Jarmundi, Jharkhand in Digital India as teachers take education to the doorstep of the children. Parents & teachers have come together to ensure that education remains accessible even during Covid-19 pandemic situation.

মঙ্গল গ্রহে গিয়ে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবেনা এলিজা কার্সন

মঙ্গল গ্রহে গিয়ে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবেনা যে মেয়েটি, তিনি হলেন এলিজা কার্সন, নাসার কনিষ্ঠতম সদস্য। এই মেয়ের আগ্রহ, তৃষ্ণা আর ডেডিকেশন দেখে মাত্র ১১ বছর বয়সে নাসা তাকে মনোনীত করে নেয় এবং ঘোষণা করে যে -সমস্ত অবস্থা অনুকূল হলে সে হবে ২০৩৩ সালে মঙ্গলে যাওয়া পৃথিবীর প্রথম মানুষ।

এখন তার বয়স ১৯ বছর। যেহেতু সে মঙ্গলে গেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম তাই নাসার কাছে সে কোন প্রকার যৌনতা, বিয়ে বা সন্তানধারণের নিষেধাজ্ঞাপত্র তে সাক্ষর করেছে। ভাবতে অবাক লাগে, মানুষের স্বপ্ন কত বড় হতে পারে!

এলিজা জানে যে,
সে আর ফিরে আসবেনা এই পৃথিবীতে, আর মাত্র ১৩ বছর পরে একমাত্র নিঃসঙ্গ মানুষ হিসেবে কোটি কোটি মাইল দূরের লোহার লালচে মরিচায় ঢাকা প্রচন্ড শীতল নিষ্প্রাণ গ্রহের ক্ষীয়মাণ নীল নক্ষত্রের নিচে হারিয়ে যাবে। সেই একা হারিয়ে যাওয়া তার কাছে কত বড় আনন্দ! সেই আনন্দের কাছে পৃথিবীর এসব সাজানো সংসার প্রেম সন্তানাদি এসবের আনন্দ নির্বিঘ্নে বিসর্জন দিয়ে যাচ্ছে।

এলিজা কার্সন আমাদের স্বপ্ন দেখতে শেখায়।
সে বলে-
“Always follow your dream and don’t let anyone take it from you”❤️

১২00 কিলোমিটার স্কুটার চালিয়ে গর্ভবতী স্ত্রীকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছালেন স্বামী

স্বামী ক্লাস এইট প্লাস। তিনি একটা ক্যাটারিং এ রান্নার কাজ করেন। তার স্ত্রী ২০১৯ সাল থেকে Madhya Pradesh board of secondary education এর অধীনে ডি. এল. এড. এর লেখাপড়া করছেন। পরীক্ষার সিট পড়েছে বাড়ি ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা শহর থেকে ১২০০ কিলোমিটার দূরে মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে। স্বামী চান, তিনি লেখাপড়া শিখতে পারেননি কিন্তু স্ত্রী যেন পরীক্ষায় পাশ করে বিদ্যালয় শিক্ষিকা হতে পারেন।

এসব জিনিস তো সিনেমায় হয়! স্ত্রী গর্ভবতী। যান চলাচল প্রায় নেই বললেই চলে! কিন্তু কিকরে যাবেন পরীক্ষা দিতে? স্ত্রী দ্বিধাগ্রস্ত, গর্ভবতী অবস্থায় কি এতটা দূরত্ব যাওয়া উচিত! কিন্তু স্বামী চান না, পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে না পারার কারণে স্ত্রীর কোনো শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হোক! স্বামী স্ত্রী নিজেদের গহনা বের করে মর্টগেজ দিলেন, দশ হাজার টাকার বেশী এল না! কি করে ভাড়া করবেন গাড়ি? পরীক্ষা দিতে গিয়ে থাকার ব্যবস্থা করবেন কিভাবে?, স্ত্রীর মাথায় হাত! এসব জিনিস শুধু সিনেমাতেই হয়!

২৮ আগস্ট ২০২০ তারিখে স্বামী বের করলেন শিবরাত্রির সলতে — পুরানো স্কুটার। স্ত্রীকে বললেন, চল। স্ত্রী “ভগবানের ভরসায়” চেপে বসলেন দ্বিচক্রযানে। স্বামীকে জড়িয়ে। পথে এবড়োখেবড়ো রাস্তা। তার ওপরে প্রবল বৃষ্টি! একটাই রেনকোট! স্বামী স্ত্রী একটা গাছের তলায় আশ্রয় নিলেন। আড়াই ঘন্টা ধরে। বৃষ্টিস্নাত, তবু যাত্রা থামালেন না। মাঝে কোথাও একটা হোটেলে আশ্রয়, কোথাও আবার পেট্রোল পাম্পে রাত কাটানো…..সব শেষে দুই দিন পরে ৩০ তারিখে পরীক্ষাকেন্দ্রে এসে পৌঁছলেন স্বামী স্ত্রী। সুস্থ শরীরে।

আলট্রাসাউন্ড করে দেখা গেছে গর্ভস্থ সন্তানও সুস্থ আছে। এসব জিনিস বোধহয় সিনেমাতেই হয়! এবার লক্ষ্য শুধু সফল ভাবে পরীক্ষা দেওয়ার। স্বামী লকডাউনে দীর্ঘদিন কাজহারা। তিনি চান, স্ত্রী চান নিজের যোগ্যতায় দ্রুত আত্মনির্ভর হয়ে ওঠে। স্ত্রীর প্রিয়জন বলতে সেভাবে কেউ নেই! তিনি স্বামীর সাহসিকতায় অবাক। এত দুর্যোগ সহ্য স্ত্রীর জন্য ক’জন স্বামী করে, তাও স্ত্রীকে স্বনির্ভর করতে! স্বামীর প্রতি ভালোবাসা কৃতজ্ঞতা ঝরে পড়ছে স্ত্রীর চোখেমুখে, কথাবার্তায়। এরকম জিনিস কি শুধু তাহলে সিনেমাতেই হয়? না, এরকম ঘটনা বাস্তবেও ঘটে। কঠোর বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে ধনঞ্জয় মাঝি এবং সোনালি হেমব্রম দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন যে জীবনে আত্মপ্রতিষ্ঠার তাগিদ থাকলে স্বামী স্ত্রী একসাথে কতটা পথ অতিক্রম করতে পারে! কতটা ঝঞ্ঝা অতিক্রম করতে পারে! এবং সবশেষে সফল হতে পারে।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রদেশ থেকে ঝাড়খণ্ড ফিরে আসার জন্য এক কর্পোরেট সংস্থার সহযোগিতায় বিমানের টিকিটের বন্দোবস্ত করে দেওয়া হয়েছে এবং ওনারা ১৬ সেপ্টেম্বর ঝাড়খন্ডে ফিরে আসবেন।

কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী নিয়োগের নতুন নীতি

কেন্দ্রীয় সরকারের ক্যাবিনেট বৈঠকে পাশ হয়ে গেল কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী নিয়োগের পরীক্ষাগুলোকে এক ছাতার তলায় আনার সিদ্ধান্ত।

দেখে নেওয়া যাক এই সিদ্ধান্তের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট:-

১. কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত নন-গেজেটেড অর্থাৎ গ্রুপ বি ও সি (নন-টেকনিক্যাল) এর কর্মী নিয়োগ করা হবে কমন এন্ট্রান্স টেস্ট (CET) এর মাধ্যমে। এই পরীক্ষা পরিচালনা করবে ন্যাশনাল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি (NRA)। 3 লেভেল এর জন্য অর্থাৎ মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক এবং স্নাতক স্তরের চাকরি পরীক্ষা গুলির জন্য আলাদা আলাদা ‘কমন এন্ট্রান্স টেস্ট’ অনুষ্ঠিত হবে।

২. বর্তমানে প্রায় 20টি সরকারী রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কর্মী নিয়োগ করা হয়। কতগুলো এজেন্সি আর থাকছে না সেগুলোর একত্রীকরণ করেই গঠিত হচ্ছে ন্যাশনাল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি।

3. আপাতত রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড(RRB), ইনস্টিটিউট অফ ব্যাংকিং পার্সোনাল সিলেকশন(IBPS), স্টাফ সিলেকশন কমিশন(SSC) অর্থাৎ রেল, ব্যাংক ও এসএসসির নিয়োগের ক্ষেত্রে অভিন্ন পরীক্ষা হবে। পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়োগ এই অভিন্ন পরীক্ষার দ্বারাই হবে।

4. আগে বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন রকমের সিলেবাস পড়তে হতো। এবার থেকে সিলেবাসে একই হবে।

5. মাতৃভাষা তে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ মিলবে। পরীক্ষা হবে 12 টি ভাষায়। ভাষার সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে পরবর্তীকালে।

6. আগে বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন ফর্ম ফিলাপ করতে হতো, এবার সেটা একটা ফর্ম ফিলাপ এর মাধ্যমে হয়ে যাবে। ফলে গরীব ও দুঃস্থ চাকরিপ্রার্থীদের অর্থনৈতিক চাপ কমবে।

7. বয়সের ন্যূনতম ও সর্বোচ্চ সীমা এক থাকবে। বয়স সীমার মধ্যে তুমি যতবার ইচ্ছা পরীক্ষা দিতে পারবে। SC ও ST দের জন্য বয়সের উর্ধ্বসীমা আর থাকবে না।

8. আগে বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য অনেক পরীক্ষার্থীকে বাড়ি থেকে অনেক দূরে যেতে হতো। এবার দেশের প্রতিটা জেলায় পরীক্ষা কেন্দ্র রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রান্তিক এবং মহিলা পরীক্ষার্থীরা বিশেষভাবে সুবিধা পাবে।

9. পরীক্ষা বিভিন্ন ধাপে হবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বা Tier 1 এ অভিন্ন পরীক্ষা হবে এবং সেটি অনলাইনে হবে। Tier 2 থেকে বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা আলাদা আলাদা হবে।

10. একবার পরীক্ষা দিলে সেই রেজাল্ট 3 বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। তবে একবার পরীক্ষা দেওয়ার পর আবার পরীক্ষা দিয়ে রেজাল্ট আরও ভালো করবার সুযোগ থাকবে।

11. প্রথমে বছরে দুবার করে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তীকালে বছরে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো হবে।

12. ন্যাশনাল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি Societies Act এর under‌ এ একটি স্ব-শাসিত সংস্থা হবে। এবং 2021 সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতিতে নিয়োগ শুরু করে দিতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এই নতুন সিদ্ধান্তটি যে বৈপ্লবিক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এর ফলে সারাদেশের বহু চাকরিপ্রার্থীর সুবিধা হবে কারণ এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সরলীকরণ এবং সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং বিশেষত অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এবং মহিলা এবং প্রান্তিক চাকরিপ্রার্থীদের সুবিধা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা হয়েছে।

« Older Entries